Wednesday, August 3, 2016

ইউরোপে উচ্চ শিক্ষার জন্য IELTS-পরীক্ষা দিতে চাইলে নিচের তথ্যগুলো জানতেই হবে আজ কিংবা কাল

যুবরাজ শাহাদাত ও মাসুদুর রাহমানঃপ্রিয় আমিওপারির সম্মানিত পাঠক বৃন্দ আশাকরি মহান সৃষ্টি কর্তার অশেষ রহমতে আপনারা সবাই ভালো আছেন। বন্ধুরা আজকে আমরা জানবো ইউরোপে উচ্চ শিক্ষায় আসতে হলে আমাদের কে অবশ্যই IELTS পরিক্ষা দিতে হয়, আর এই IELTS পরিক্ষা নিয়ে অনেকের মনে নানা ধরনের প্রশ্ন রয়েছে, বিশেষ করে অনেক অভিবাবকরা উক্ত বিষয়টি সম্পর্কে তেমন কোন ধারণা রাখেন না, আর তাই আজকে আমরা উক্ত বিষয় নিয়ে আপনাদের মাঝে বিস্তারিত আলোচনা করে সামান্য হলেও বুঝানোর চেষ্টা করবো।    
বন্ধুরা প্রথমেই একটা জিনিস জেনে রাখা ভালো যে, IELTS পরিক্ষায় পাশ বা ফেল বলতে আসলে কোনো বিষয় নেই।

প্রথমেই চলুন জেনে নেই IELTS -কি?

International English Language Testing System কেই সংক্ষেপে IELTS বলা হয়। মূলত IELTS হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় একজন শিক্ষার্থীর পারদর্শিতা নিরীক্ষণের একটি ব্যবস্থা। অর্থাৎ ইংরেজি যাদের মাতৃভাষা নয় এমন শিক্ষার্থদের জন্য ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা যাচাই করা হয়ে থাকে এই পরীক্ষার মাধ্যমে।IELTS-এ সর্বনিম্ন ব্যান্ডস্কোর হচ্ছে 1 এবং সর্বোচ্চ ব্যান্ডস্কোর হচ্ছে 9। অর্থাৎ IELTS-পরিক্ষায় অংশগ্রহণ করলে আপনার ব্যান্ডস্কোর ১ থেকে ৯ এর মধ্যে-ই থাকবে।IELTS পরীক্ষাটি মোট চারটি সেকশন এর উপর হয়।Listening,Reading, Writing and SpeakingIELTS-পরিক্ষার রেজাল্ট এর অর্থাৎ ব্যান্ডস্কোর এর মেয়াদ থাকে ২ বছর। অর্থাৎ আপনার যেদিন রেজাল্ট হবে ওইদিন থেকে ২ বছর পর্যন্ত আপনার রেজাল্ট এর Validity থাকবে।

IELTS-পরিক্ষা ২ ধরনেরঃ

Academic এবং General Training. General Training-টিকে সংক্ষেপে GT-বলা হয়।Academic মুলত দেশের বাহিরে উচ্চশিক্ষা গ্রহন করতে চাইলে কাজে আসবে আর ইংরেজি ভাষা প্রধান দেশে যদি কেউ অভিবাসন অর্থাৎ migration-করতে চান, কিংবা কোনো Training-নিয়ে চাকুরি করতে যান, তাহলে তাকে General Training-অর্থাৎ IELTS-GT দিতে হবে।দুটি Module-এ-ই কিন্তু চারটি সেকশন, অর্থাৎ, Listening,Reading, Writing এবং Speaking থাকবে।Academic কিংবা General Training আপনি যে Module-এই পরিক্ষা দেন না কেনো Listening এবং speaking একই রকম পরিক্ষা হবে ভিন্নতা থাকবে শুধু Reading এবং Writing-এ ।Listening, Reading এবং Writing পার্ট এর পরিক্ষা হবে একই দিনে এবং এই পার্ট গুলোর মধ্যে কোনো break থাকবে না। আর Speaking- পরিক্ষাটি একই দিনে হতে পারে কিংবা কিংবা Listening, Reading এবং Writing পার্ট এর আগে পরেও হতে পারে, এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যেই হবে। Speaking-টেস্ট- টি ঠিক কবে হবে তা আপনি যে সেন্টার এ পরিক্ষা দিবেন তারা আপনাকে জানিয়ে দিবে।Listening-এ সময় দেওয়া হয় ৩০ মিনিট,Reading-এ ৬০ মিনিট, Writing -এ ৬০ মিনিট, Speaking-এ ১১ থেকে ১৪ মিনিট। সুতরাং সব মিলিয়ে মোট পরীক্ষার সময় হচ্ছে ২ ঘন্টা ৪৫ মিনিট।আমি একে একে ধারাবাহিকভাবে IELTS-এর সবগুলো Part নিয়ে আলোচনা করছিঃ

আসুন প্রথমেই জানা যাক Listening-সম্পর্কেঃ

01.Listening

Listening এ পর পর মোট চারটি সেকশন থাকবে। এই চারটি সেকশন এর জন্য মোট সময় দেওয়া হবে ৩০ মিনিট। ৩০ মিনিট শেষ হওয়ার পর আপনাকে আরো ১০ মিনিট দেওয়া হবে উত্তরপত্রে সঠিক উত্তরটি লেখার জন্য। যেহেতু উত্তরপত্রে লেখার জন্য আপনাকে আলাদা সময় দেওয়া হবে তাই যখন আপনি Listening-করবেন তখন উত্তরগুলো আপনি পরে নিজে বুজবেন এইরকম রাফ করে লিখে রাখবেন। সাধারনত শুরুর দিকে সহজ এবং শেষের দিকে কঠিন-এই ক্রমানুসারে প্রস্নগুলো । প্রতিটি সেকশন এ ১০টি করে মোট ৪০টি প্রশ্ন থাকবে। Listening-অংশে সাধারণত মোট ছয় ধরনের প্রশ্ন থাকে, এগুলো হচ্ছেঃ
Task type 1 – Multiple choice
Task type 2 – Matching
Task type 3 – Plan, map, diagram labelling
Task type 4 – Form, note, table, flow-chart, summary completion
Task type 5 – Sentence completion
Task type 6 – Short-answer questions
এখানে উল্লেখ্য যে, বানান ভুল আর গ্রামাটিকেল ভুল এর জন্য মার্কস কাটা যাবে তাই খুব খেয়াল করে উত্তরপত্রে উত্তরগুলো লিখতে হবে। প্রতিটি প্রশ্নের জন্য ১ মার্ক করে বরাদ্দ থাকবে। অর্থাৎ ৪০ টি প্রশ্নের জন্য ৪০ মার্কস। একজন পরিক্ষার্থি এই ৪০ মার্কস মধ্যে যত পায় তা পরে ব্যান্ড স্কোর এ কনভার্ট করা হয়।

02. IELTS Academic Reading:

Reading-: অংশে মোট সময় দেওয়া হবে ৬০ মিনিট। প্যাসেজ থাকবে মোট তিনটি । এই তিনটি প্যাসেজ থেকে মোট ৪০টি প্রশ্নের উত্তর করতে হবে।
Task type 1 – Multiple choice
Task type 2 – Identifying information
Task type 3 – Identifying writer’s views/claims
Task type 4 – Matching information
Task type 5 – Matching headings
Task type 6 – Matching features
Task type 7 – Matching sentence endings
Task type 8 – Sentence completion
Task type 9 – Summary, note, table, flow-chart completion
Task type 10 – Diagram label completion
Task type 11 – Short-answer questions
নোটঃ আমাদের দেশের বেশীরভাগ ছাত্রছাত্রিরা-ই Reading-এ খুব কম মার্কস পায় অর্থাৎ Reading-এ স্কোর কম তুলতে পারে। কারন হচ্ছে বাক্য পড়ে তার সঠিক অর্থ না বুঝতে পারা। ক্যামব্রিজ এর যে বইগুলো বাজারে পাওয়া যায় অর্থাৎ Cambridge IELTS 1 থেকে 10 ( এখন অবশ্য 11-ও চলে এসেছে) পর্যন্ত বইগুলো হচ্ছে বিগত সময়গুলোতে হয়ে যাওয়া IELTS-এর Real Test. ব্যাপারটা আপনাকে বুঝতে হবে যে, এইগুলো কিন্তু শুধুই Test. তাই এই বইগুলো পড়ে বুঝতে হলে চাই সঠিক ভাবে নিজেকে প্রস্তুতি করা। আর প্রস্তুতি নিতে হবে বাংলায় লেখা কোনো বই থেকে। প্রথমেই আপনার শব্দভান্ডার বাড়াতে হবে। ইংরেজি শব্দ শিখতে যেয়ে আপনি প্রথমেই যে সমস্যায় পড়বেন তা হচ্ছে আপনি খুব দ্রুত ভুলে যাবেন। আরেকটা সমস্যা আমরা দেখেছি যে, অনেকেই ভালো শব্দ জানে কিন্তু সেই শব্দটা বাক্যের মধ্যে কিভাবে ব্যাবহার করতে হবে তা জানে না। এর সমাধান হচ্ছে বেশি বেশি ভোকাবুলারি অধ্যায় করা।

03. IELTS Academic Writing Section:

Writing: মোট সময় ১ ঘন্টা। এই সময়ের মধ্যে আপনাকে ২ টি Writing Task- লিখতে হবে।
Task 1:১ম টিতে থাকবে ১ টি graph, table, chart কিংবা diagram। এখানে আপনাকে এই graph, table, chart কিংবা diagram টি ব্যাখা করে বুঝাতে হবে।
Task 2:২য় টিতে আপনাকে কোনো একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর কিংবা একটি Argumentative-ধর্মী লেখা আপনাকে লিখতে হবে।১ম সেকশন এর চাইতে ২য় সেকশন টি কিছুটা কঠিন।

04. Speaking Test:

১১ থেকে ১৪ মিনিটের Speaking Test-মূলত তিনটি অংশে বিভক্ত। মনে রাখবেন আপনার Speaking Test-কিন্তু রেকর্ড করা হবে।
Part 1: ১ম অংশে আপনার নাম-ধাম পরিচয়, কুশল বিনিময় এবং আপনার পরিচিত কোনো সহজ বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলবে। ব্যাপারটি অনেকটা ইনফর্মাল মনে হলেও আসলে এটি কিন্তু আপনার পরিক্ষার-ই মূল একটা অংশ
Part 2: ২য় অংশে আপনাকে একটা কার্ড দিবে এবং কার্ডে একটা টপিক লেখা থাকবে যার উপর ভিত্তি করে আপনাকে ২ মিনিট কথা বলতে হবে। তবে টপিকের উপর প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আপনাকে ১ মিনিট সময় দেওয়া হবে। এই এক মিনিট আপনি নিজেকে তৈরি করার জন্য সময় পাবেন। আপনি যাতে আপান্র কথাগুলো ঠিকমতো শেষ করতে পারেন সে জন্য পরিক্ষক আপনাকে ২/১ টি প্রশ্নও করতে পারে।
Part 3: ৩য় অর্থাৎ সর্বশেষ অংশে পরীক্ষক আপনাকে আগের কথার সুত্র ধরে আরো কিছু প্রশ্ন করবেন এবং আপনাকে আরো কথা বলার জন্য সুযোগ তৈরি করে দিবেন। এখানে আপনি ৪ থেকে ৫ মিনিট কথা বলার জন্য সময় পাবেন। অর্থাৎ পার্ট-৩ শেষ হয় সাধারণত চার থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই।…………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………বাসায় যাতে হাতের কাছে আপনার IELTS-এর সবগুলো INTERNATIONAL বই-ই থাকে সেজন্য আমি সবগুলো বইয়ের লিঙ্ক দিয়ে দিলাম। ডাউনলোড করে রেখে দিন আপনার পিসি তে । পিসি তে ডাউনলোড করে পরে মোবাইল-এ-ও ট্রান্সফার করে সেইভ করে রাখুন। অবসর সময়ে কিংবা যেকোনো জায়গাতে বসে মাঝে মাঝে চোখ বুলাতে পারবেন এই সমস্ত বইগুলোতে এমনকি নীলক্ষেত থেকে টাকা দিয়ে বইগুলো নাও কেনা লাগতে পারে।
তাই ঝটপট সেইভ করে নিন নিচের সবগুলো লিঙ্ক, ক্যামব্রিজ কর্তৃক প্রকাশিত,অফিসিয়াল প্রিপারেশন ম্যাটারিয়ালস:
Cambridge IELTS LINK-1
Cambridge IELTS LINK-2
Cambridge IELTS LINK-3
Cambridge IELTS LINK-4
Cambridge IELTS LINK-5
Cambridge IELTS LINK-6
Cambridge IELTS LINK-7
Cambridge IELTS LINK-8
Cambridge IELTS LINK-9
Cambridge IELTS LINK-10
Cambridge IELTS LINK-11(৩৯৮ পৃষ্ঠার একটি জনপ্রিয় গাইড বই বা ক্যামব্রিজ অফিসিয়াল প্রিপারেশন ম্যাটারিয়াল )
Cambridge IELTS LINK-12 Vocabulary for IELTS with answers ( Cambridge University Press):
Cambridge IELTS LINK-13 Insight into IELTS (১৯৪ পৃষ্ঠার একটি ভালো বই):
বন্ধুরা আশা করি উপরের বিষয়টি সম্পর্কে আপনাদের মোটামুটি কিছু ধারণা দিতে পেড়েছি, এবং সেই সাথে বিষয়টি আপনাদের উপকারে আসলেই আমাদের কষ্ট সার্থক।
উল্লেখ্য আমিওপারিতে পূর্বে প্রকাশিত ইউরোপ ও ইতালি নিয়ে অনেক প্রয়োজনীয় কিছু লেখার লিঙ্ক এখানে তুলে ধরা হল যা আপনাদের কাজে আসতে পারে।
*ইতালিয়ান কাগজ ধারীরা কিভাবে ইংল্যান্ডের ট্যুরিস্ট ভিসার আবেদন করবেন? কি কি কাগজ পত্র লাগবে? জেনে নিন বিস্তারিত।
*ইতালিয়ান পাসপোর্টের আবেদন করবো? কোন বিষয় গুলো অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে? এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।
*ইতালির ফ্যামিলি ভিসার জন্য প্রেফেত্তুরাতে কাগজপত্র জমা দেওয়ার ৬০ দিন পরেও চিঠি না আসলে? কি করার? বিস্তারিত এখানে। 
*নতুন ধারায় দেশে ফ্যামিলি ভিসা নিয়ে ইতালিয়ান দূতাবাসের হয়রানী।এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।
*হাজারো অবৈধ ইমিগ্রান্টদের জন্য পর্তুগালের দরজা বন্ধ।Immigration News Update about Portugal এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।
*ইতালিস্থ রোমের বাংলাদেশ দূতাবাসের জরুরী বিজ্ঞপ্তি, অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট ব্যতীত কোন প্রকার কাজ সম্পাদন করা হবে না? বিস্তারিত এখানে।
*শুরু হয়ে গেলো ইতালিতে ব্যবসায়ীদের বাৎসরিক আয়/ব্যয়ের তথা রেদ্দিতি (UNICO) ঘোষণা দেওয়ার সময়।এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।
*ইতালি ও ইউরোপে অবৈধ অভিবাসীরা চাইলে ইতালিতে বৈধ হতে পারেন?কিন্তু কিভাবে বিস্তারিত পড়ুন! এখানে ক্লিক করে।
*ইতালিতে রোড এক্সিডেন্ট হলে কিভাবে ৩০ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণ পাবো? জেনে নিন বিস্তারিত।এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।
*ইতালিতে নির্যাতিত নারীরা কিভাবে তাদের অধিকার,হক আদায় করবেন?কোথায় যাবেন?কি করবেন? পার্ট – ১ এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।
*ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসার ফি ১২৫০০ থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকার মতো ধার্য করা হয়েছে। এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিন।
*সেঞ্জেন ভুক্ত ইউরোপের যেকোনো দেশের পাসপোর্ট,রেসিডেন্স কার্ড, ড্রাইভিং লাইসেন্স ইত্যাদি ডকুমেন্টস গুলো চিনে রাখুন।এখানে ক্লিক করে।
*ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসা ছাড়া কিভাবে দ্রুত স্বামী/স্ত্রী কে টুরিস্ট ভিসায় নিয়ে আসা যায়? জেনে নিন বিস্তারিত এখানে ক্লিক করে। 
* বন্ধ হল ইতালির স্টুডেন্ট ভিসায় আসার পথ। এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।
* কিভাবে ইতালির টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদন করবেন? কি কি লাগবে ইত্যাদি বিষয় জানতে এখানে ক্লিক করে জেনে নিতে পারেন।
* ইউরোপে প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা অথবা এণ্ট্রি ব্যান কি? কি কি কারনে আপনাকে ব্যান করতে পারে? এখানে ক্লিক করে জেনে নিতে পারেন।
* অবশেষে এপয়েন্টমেন্ট ছাড়াই ইতালির ভিসা আবেদন কেন্দ্র ভিএফএস গ্লোবালে ভিসার আবেদন জমা নিচ্ছে। এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।
* ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসার আবেদনের ক্ষেত্রে পুরাতন সিস্টেম পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ নতুন সিস্টেম চালু করা হয়েছে। এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।
* ইতালিয়ান পাসপোর্ট দ্রুত পাবো কিভাবে?ও ইতালিয়ান নাগরিকত্ব পেতে সে সংক্রান্ত কিছু বিষয় না জানলেই নয়। এখানে ক্লিক করে বিস্তারিত জেনে নিতে পারেন।
যারা ইউরোপের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন অথবা ইতালিতে ফ্যামিলি ভিসা নিয়ে নানা ধরণের সমস্যায় ভুগছেন? অথবা দেশে জমা দিয়ে ভিসা পাচ্ছেন না? বা ফ্যামিলি ভিসা থেকে শুরু করে ইতালি ও ইউরোপের যেকোনো ধরণের ভিসা সংক্রান্ত বিষয়ে আইনি সহায়তার জন্য সরাসরি আমিওপারি টিম এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
আমাদের সাথে যোগাযোগের বিস্তারিতঃ স্ক্যাইপ- amiopari টেলঃ +৩৯ ০৬২৪৪০৫২১৭ মোবাইল +৩৯ ৩৩৮১৪০৮৯১৭ (WIND)মোবাইলঃ +৩৯ ৩২০০৪১২৫৪০ (WIND)  মোবাইলঃ +৩৯ ৩৪২৭৯৭৩২৮০ (WIND)  মোবাইলঃ +৩৯ ৩২৭২০৭৮৯০৮ (WIND)  ইমেইলঃ  info@amiopari.com
ঠিকানাঃ Via Delle Albizzie-27, 00172 Rome (Centocelle), Italy.
আর যারা আপনাদের ফেসবুকে আমাদের সাইটের প্রতিটি লেখা পেতে চান তারা এখানে ক্লিক করে আমাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে গিয়ে লাইক দিয়ে রাখতে পারেন। তাহলে আমিওপারিতে প্রকাশিত প্রতিটি লেখা আপনার ফেসবুক নিউজ ফিডে পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

কাঁদবেনই যখন তখন জেনে শুনেই কাঁদুন

রামপালের আসল লাভক্ষতি নিয়ে লিখে পাঠিয়েছেন একজন। ওয়াকিফহাল বিশেষজ্ঞরাই্ এর সত্য-মিথ্যা ব্যাখ্যা করে বলতে পারবেন। আসুন লেখাটি পড়া যাক--"রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে নির্মানে মোট ব্যয়ের ৭০% বিদেশী ব্যাংক থেকে ঋন আনা হবে। আনয়নকৃত ঋনের সমস্ত সুদ বহন করবে বাংলাদেশ। বাকি ৩০% ব্যয়ের ১৫% বহন করবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়াত্ত বৈদ্যুতিক প্রতিষ্ঠান পিডিবি এবং ১৫% ভারতীয় রাষ্ট্রায়াত্ত প্রতিষ্ঠান এনটিপিসি প্রকল্পের লাভ ভাগ হবে ঠিক সমান হারে! ৫০% বাংলাদেশ, বাকি ৫০% ভারতীয় এনটিপিসি! প্রকল্প কোন রকম আর্থিক ঝুকির মুখোমুখি হলে সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি বহন করবে বাংলাদেশ!! ৮৫% ব্যয় ও সমস্ত আর্থিক ঝুঁকি
বহন করে বাংলাদেশের লাভের পরিমাণ(যদি
আদৌ হয়) ৫০% , আর ১৫% ব্যয় ও কোনরূপ আর্থিক
ঝুঁকির ভাগিদার না হয়েই ভারতীয় এনটিপিসির
লাভের পরিমাণ ৫০% !!!
হিসেব এখনো শেষ হয়নি। বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান ওরিয়ন গ্রুপ দেশে তিনটি পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপন করছে। তার মধ্যে মুন্সিগঞ্জের মাওয়া পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে সরকার বিদ্যুৎ কিনবে ৪ টাকা প্রতি ইউনিট ও খুলনার লবনচড়া এবং চট্টগ্রামের আনোয়ারা প্ল্যান্ট থেকে ৩.৮০ টাকা দরে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ কেনা হবে।অথচ রামপাল থেকে একই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে আমরা কিনবো ৮.৮৫ টাকা দরে!!!! দ্বিগুনেরও মাত্র বেশী কিছু টাকা।
রামপালে প্রয়োজনীয় সমস্ত কয়লা আমদানী করা হবে বন্ধুদেশ থেকে। চুক্তিও কমপ্লিট। টন প্রতি দাম পড়বে মাত্র ১৪৫ ডলার! প্রতিদিন লাগবে মাত্র ১৩০০০+ টন কয়লা। বিশ্ববাজারে কয়লার টনপ্রতি দামটা জানতে
চান?? কোয়ালিটি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৫০- ৮০ ডলারের
কাছাকাছি।
বিশেষজ্ঞদের মতে প্রতিদিন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি যদি ২০ ঘন্টা করে ৩০ বছর চালু থাকে এবং ইউনিট প্রতি ৪.৮৫ টাকা আর্থিক ক্ষতি ধরা হয় কেবল তাহলেই অঙ্কটা দাড়াবে এক লাখ চল্লিশ হাজার কোটি টাকা!!! পরিবেশগত ও অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির কথা বাদই দিলাম।"

Curtesy : এন.আর.এইচ. রাহাত কুরাইশী।

Tuesday, August 2, 2016

উন্নত অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ডে স্থায়ী হওয়ার নতুন সুযোগ



এশিয়ার দক্ষিণে ওশেনিয়া ‍অঞ্চলের দ্বীপ-মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া আর দ্বীপরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ড এখন অভিবাসন প্রত্যাশীদের স্বর্গ হয়ে উঠেছে। শরীর জুড়ানো আলো-হাওয়া আর হাজারো দ্বীপের পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা অবারিত প্রকৃতি বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ অস্ট্রেলিয়া ও তাসমান সাগরের দ্বীপ নিউজিল্যান্ডকে যেমন অতুলনীয় রূপের অধিকারী করে তুলেছে, তেমনি সামাজিক নিরাপত্তা আর উন্নত জীবনমান এই দুই দেশকে বসিয়ে দিয়েছে অভিবাসন আকর্ষণের কেন্দ্রে।
তাই ৫০ হাজার বছর ধরে চলে আসা অভিবাসনের ইতিহাস নতুন মোড় নিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর গ্রেট বেরিয়ার রিফ এর দেশ অস্ট্রেলিয়া ও ইউরোপীয় অধ্যুষিত দেশ নিউজিল্যান্ডে।
ভারত মহাসাগর, তিমুর, আরাফুরা, তাসমান ও প্রবাল সাগর এবং টরেস ও ব্যস প্রণালীর বেড়ে শান্তির সওদা নিয়ে শুয়ে থাকা অস্ট্রেলিয়ায় এখন বাংলাদেশিদের জন্যও স্থায়ী বসবাসের সুযোগ তৈরি হয়েছে। আর অভিবাসনের এই সুযোগ দিতে বেশ কিছু নতুন প্রোগ্রাম ওপেন করছে অস্ট্রেলিয়া। আপনি আপনার সামর্থ ও পরিকল্পনা বুঝে এর যে কোনো একটির মাধ্যমে স্থায়ী হয়ে যেতে পারেন ক্যাঙ্গারু আর ক্রিকেটের দেশ অস্ট্রেলিয়ায়।


এর দক্ষিণ-পূর্বে তাসমান সাগরের মাঝে জীবন-যাত্রার মান, প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল, শিক্ষার হার, শান্তি ও অগ্রগতি, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার রক্ষা ইত্যাদির অগ্রসরতা নিউজিল্যান্ডকে করে তুলেছে বিশ্বের সর্বাধিক বাসযোগ্য ভূমির অন্যতম একটিতে।
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসনের নতুন প্রোগ্রাম
অভিবাসনে আগ্রহীদের জন্যে নতুন প্রোগ্রাম চালু করতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব ইমিগ্রেশন অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশন (ডিআইবিপি) এরই মধ্যে ২০১৬-১৭ বর্ষের জন্যে নতুন স্কিলের কর্মক্ষেত্রের তালিকা প্রস্তুত ও প্রকাশ করেছে। নতুন এ প্রোগ্রাম কার্যকর হবে এ বছরেরই ১০ জুলাই থেকে।
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের নাগরিকদের স্থায়ী বসবাসের জন্যে বিভিন্ন ধরনের ভিসা নিয়ে কাজ করছেন বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী, ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন কনসালট্যান্টস লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও চিফ কনসালট্যান্ট ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ রাজু।
অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসন সম্পর্কে তিনি বলেন, নতুন এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্কিলড মাইগ্রেশনের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ায় সপরিবারে নিরাপদ জীবনযাপনের সুযোগ রয়েছে।


এ ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তিতে বিশেষজ্ঞ, একাউন্টিং ও ফিন্যান্স, মার্কেটিং বা সেলস, ব্যাংকার, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কৃষিজীবী, নার্স বা অন্য কোন পেশায় দক্ষ পেশাজীবীদের জন্যে রয়েছে বিশেষ সুযোগ।
স্কিলড মাইগ্রেশন ভিসা, বিজনেস স্কিলড মাইগ্রেশন ভিসা, এমপ্লোয়ার স্পনসরড ওয়ার্ক ভিসা, পার্টনার অ্যান্ড আদার ফ্যামিলি মাইগ্রেশন ভিসা রয়েছে অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্যে।
এই তালিকার মধ্যে থাকা ব্যক্তিরা ১৮৯ (স্কিলড ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভিসা), ৪৮৯ (স্কিলড রিজিওনাল প্রভিশনাল ভিসা এবং ৪৮৫ (গ্র্যাজুয়েট টেম্পরারি ভিসা)- এই তিনটি ক্যটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন।
আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন আইন বিশেষজ্ঞ ড. সালাহউদ্দিন জানান, এছাড়াও কনসোলিডেটেড স্পন্সরড অকুপেশন লিস্ট (সিএসওএল) প্রকাশ করেছে ডিআইবিপি। যার মাধ্যমে ১৯০ (স্কিলড নমিনেটেড ভিসা), ৪৫৭ (টেম্পরারি ওয়ার্ক স্কিলড ভিসা) এবং ১৮৬ (এমপ্লয়ার নমিনেটেড স্কিম)। এগুলোর মাধ্যামেও অস্ট্রেলিয়ায় স্থায়ী হওয়ার আবেদন করা যায়।
এছাড়াও রয়েছে- বিজনেস মাইগ্রেশন, স্কিলড মাইগ্রেশন, স্পাউজ মাইগ্রেশন বা প্যারেন্ট মাইগ্রেশন, অস্ট্রেলিয়া গ্র্যাজুয়েট, স্কিলড ইন্ডিপেন্ডেন্ট ভিসা (সাবক্লস ১৮৯), স্কিলড নমিনেটেড ভিসা (সাবক্লস ১৯০), স্কিলড নমিনেটেড (প্রভিশনাল) ভিসা (সাবক্লস ৪৮৯), স্কিলড রিজিওনাল ভিসা (সাবক্লস ৮৮৭), ফ্যামিলি স্পন্সরশিপ ভিসা: ফ্যামিলি স্পন্সরড (প্রভিশনাল) ভিসা (সাবক্লস ৪৮৯)।
ড. সালাহউদ্দিন বলেন, প্রায় ৪০০ এর মতো পেশা অর্ন্তভুক্ত রয়েছে এই প্রোগ্রামে। এর মধ্যে সাবক্লস ১৮৯, ১৯০ এবং ৪৮৯ এ আবেদন করে স্থায়ীভাবে বসবাস করা যায়। জবসহ স্পন্সর প্রোগ্রামে আবেদন করা যাচ্ছে সাবক্লস ৪৫৭, ১৮৬ এবং ১৮৭ তে। আর সাবক্লস ৪৫৭ ও ১৮৬ যৌথভাবে আবেদন করে দ্রুতই স্থায়ী নাগরিকত্ব গ্রহণ সম্ভব।
আবেদন করার প্রাথমিক যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে পোস্ট গ্রাজুয়েট সার্টিফিকেট (অনার্স এবং মাস্টার্স) ও পিএইচডি। তবে ইংরেজি দক্ষতার আওতায় কোর্স আইএলটিএস এ কমপক্ষে ৬ দশমিক ৫ স্কোর উঠাতে হবে।
নিউজিল্যন্ডে স্কিলড মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম
ড. সালাহউদ্দিন বলেন, প্রতি মাসে নিউজিল্যান্ড স্কিলড ইমিগ্রেশন ক্যাটাগরিতে ২ টি ড্র অনুষ্ঠিত হয়। বছরে প্রায় ১১ হাজার পরিবার এই পোগ্রামের আওতায় নিউজিল্যান্ডের স্থায়ী নাগরিকত্ব (পিআর) পেয়ে থাকে- যা নিউজিল্যান্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুবর্ণ সুযোগ বলে বিবেচিত হয়।
নিউজিল্যান্ডে স্কিলড মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের আওতায় সপরিবারে স্থায়ীভাবে বসবাসের শর্তগুলো হচ্ছে- পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর আবেদনকারীর অবশ্যই মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কমপক্ষে ৩ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অথবা গ্রাজুয়েশন শেষ করার পর অবশ্যই বিশেষ লং টার্ম স্কিলস শর্টেজ লিস্ট (এলটিএসএসএল) এর যে কোন একটি পেশায় কমপক্ষে ৩ বছর চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। আর এক্ষেত্রেও আইএলটিএস স্কোর হতে হবে কমপক্ষে ৬ দশমিক ৫।
নিউজিল্যান্ডে সম্ভাব্য পেশার মধ্যে রয়েছে- ফরেস্ট সায়েন্টিস্ট, কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট ম্যনেজার, কনস্ট্রাকশন প্রজেক্ট বিল্ডার, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, সিভিল ইঞ্জিনিয়ার, ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ার, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার, জেনারেল প্র্যাকটিশনার, প্যাথলজিস্ট, সাইকোথেরাপিস্ট, সোনোগ্রাফারসহ আরো কিছু খাত।
অস্ট্রেলিয়ায় বিভিন্ন ধরনের স্কিলড ভিসার বিষয়ে আরো জানতে যোগাযোগ করতে পারেন advahmed@outlook.com , raju.advocate2014@gmail.com এবং mausumimau2015@gmail.com এই মেইল ঠিকানায়। ভিজিট করুন www.wwbmc.com. ওয়েবসাইটে। সরাসরি ড. সালাহউদ্দিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলুন +৬০১৬৮১২৩১৫৪ এবং +৬০১৪৩৩০০৬৩৯ এই নাম্বারে।
ঢাকার উত্তরায় ৭ নং সেক্টরের খান টাওয়ারে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড মাইগ্রেশন লিমিটেডের অফিসেও খোঁজ নিতে পারেন। ফোনে কথা বলতে পারেন ০১৯৬৬০৪১৫৫৫ নাম্বারে, ০১৯৬৬০৪১৮৮৮ নাম্বারে এবং ০১৯৭৭০১৪৭৭৮ নাম্বারে।